শনিবার | ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় Logo খুবিতে ‘নৈয়ায়িক ভয়েসক্রাফট’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খুবিতে ‘রান ফর ফিউচার বাংলাদেশ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির Logo দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির অগ্রযাত্রা Logo প্যাপিরাস পাঠাগারের উদ্যোগে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন Logo হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ দিনভর গণসংযোগ Logo হাল্ট প্রাইজ অ্যাট খুলনা ইউনিভার্সিটি-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের ঢল Logo চাঁদপুর ল্যাবরেটরী স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

ডিএনসিসি মার্কেটে আগুনে পুড়েছে ২ শতাধিক দোকান

  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:০৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০১৯
  • ৭৭৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

রাজধানীর গুলশান-১-এর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মার্কেটের কাঁচাবাজারে আগুনে পুড়েছে ২ শতাধিক দোকান।আজ শনিবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট। সঙ্গে ছিলেন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশনস) মেজর শাকিল নেওয়াজ বলেন, ডিএনসিসির কাঁচাবাজার ও সুপার মার্কেটের আগুন আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলতে।আগুনে নিয়ন্ত্রণে আসার পর ভেতরে গিয়ে দেখা যায় দোকানের মালামাল অধিকাংশই পুড়ে গেছে।কাঁচাবাজারে মাংস ও মাছের দোকানের পাশাপাশি মুদি ও সুগন্ধির দোকান ছিল। পাশাপাশি প্লাস্টিকের খেলনার দোকানও ছিল সেখানে। তার একটিকেও অক্ষত দেখা যায়নি।

কাঁচাবাজারের কনফেকশনারি দোকানের মালিক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পুরো কাঁচাবাজারের কোনো দোকানই অবশিষ্ট নেই। বাজারের ২৯২টি দোকানের মধ্যে ৮১টি দোকান কিছু দিন আগে ডিএনসিসি মার্কেটের পার্কিংয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। বাকি ২১১টি দোকানের সবগুলোই আগুনে পুড়ে গেছে।ক্রোকারিজ দোকান মালিক জহিরুল ইসলাম বলেন, সালের আগুনে ৫টা দোকান পুড়ে গিয়েছিল। এবার ৭টা দোকান পুড়ে গেছে। আমি নিঃশ্ব হয়ে গেছি।এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ঢাকার উপ-পরিচালক শামীম হাসান চৌধুরীকে প্রধান করে ডিএনসিসি এক্সটেনশন মার্কেটে আগুনের কারণ নির্ণয় ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।এর আগে ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি এই গুলশান-১ ডিএনসিসি মার্কেটেই ভয়াবহ আগুন লেগে ধসে পড়েছিল মার্কেট ভবন। তারপর সেখানে অস্থায়ীভাবে একটি একতলা টিনশেড ভবন নির্মাণ করা হয়। এবার সেই ভবনেও আগুন লাগল।বারবার কেন এই ভবনে আগুন লাগছে তা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাবিতে নির্বাচনী বিতর্ক, প্রতীকী গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায়

ডিএনসিসি মার্কেটে আগুনে পুড়েছে ২ শতাধিক দোকান

আপডেট সময় : ১২:৩৪:০৩ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০১৯

নিউজ ডেস্ক:

রাজধানীর গুলশান-১-এর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মার্কেটের কাঁচাবাজারে আগুনে পুড়েছে ২ শতাধিক দোকান।আজ শনিবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট। সঙ্গে ছিলেন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশনস) মেজর শাকিল নেওয়াজ বলেন, ডিএনসিসির কাঁচাবাজার ও সুপার মার্কেটের আগুন আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলতে।আগুনে নিয়ন্ত্রণে আসার পর ভেতরে গিয়ে দেখা যায় দোকানের মালামাল অধিকাংশই পুড়ে গেছে।কাঁচাবাজারে মাংস ও মাছের দোকানের পাশাপাশি মুদি ও সুগন্ধির দোকান ছিল। পাশাপাশি প্লাস্টিকের খেলনার দোকানও ছিল সেখানে। তার একটিকেও অক্ষত দেখা যায়নি।

কাঁচাবাজারের কনফেকশনারি দোকানের মালিক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পুরো কাঁচাবাজারের কোনো দোকানই অবশিষ্ট নেই। বাজারের ২৯২টি দোকানের মধ্যে ৮১টি দোকান কিছু দিন আগে ডিএনসিসি মার্কেটের পার্কিংয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। বাকি ২১১টি দোকানের সবগুলোই আগুনে পুড়ে গেছে।ক্রোকারিজ দোকান মালিক জহিরুল ইসলাম বলেন, সালের আগুনে ৫টা দোকান পুড়ে গিয়েছিল। এবার ৭টা দোকান পুড়ে গেছে। আমি নিঃশ্ব হয়ে গেছি।এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ঢাকার উপ-পরিচালক শামীম হাসান চৌধুরীকে প্রধান করে ডিএনসিসি এক্সটেনশন মার্কেটে আগুনের কারণ নির্ণয় ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।এর আগে ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি এই গুলশান-১ ডিএনসিসি মার্কেটেই ভয়াবহ আগুন লেগে ধসে পড়েছিল মার্কেট ভবন। তারপর সেখানে অস্থায়ীভাবে একটি একতলা টিনশেড ভবন নির্মাণ করা হয়। এবার সেই ভবনেও আগুন লাগল।বারবার কেন এই ভবনে আগুন লাগছে তা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।