নিউজ ডেস্ক:
সুস্বাস্থ্য ও সুগঠিত মাংসপেশির পাশাপাশি দেহের ওজন কমানোর জন্য নিয়ম করে ব্যায়াম করছেন। কিন্তু আপনি যদি অস্বাভাবিক কিংবা অস্বাস্থ্যকর খাবার খান তাহলে ব্যায়ামের কোনো উপকারই পাবেন না। এতে দেহের ওজন যেমন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে তেমন উপকারও পাওয়া যাবে না। এ কারণে ব্যায়াম করার পাশাপাশি কিছু খাবারও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যেমন-
* ফ্যাটযুক্ত খাবার নয়
সুস্থ থাকতে চাইলে বা ওজন কমাতে গিয়ে ব্যায়াম করেই অতিরিক্ত ফ্যাট যুক্ত খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। ব্যায়াম করার পর যেকোনো ধরনের ফাস্ট ফুড, ফ্যাট যুক্ত খাবার অথবা তেলে ভাজা পোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
* অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার
অধিক চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। অনেকেই যেই ভুলটা করে থাকেন, তা হলো ব্যায়ামের পর পরই তৃষ্ণা পেলে কোমল পানীয় কিংবা এনার্জি ড্রিংক খেয়ে নেন। কিন্তু কোমল পানীয়তে অতিরিক্ত চিনি থাকে যা স্বাস্থ্যর জন্য খুবই ক্ষতিকর। তৃষ্ণা পেলে কোমল পানীয় না খেয়ে পানি অথবা চিনি ছাড়া আইস চা খান।
* অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার নয়
ব্যায়াম করলে ঘামের সাথে প্রচুর পরিমাণে পানি ও পটাশিয়াম বের হয়ে যায় শরীর থেকে। এই পটাশিয়ামের অভাব পূরণের জন্য অনেকেই অতিরিক্ত লবণ যুক্ত খাবার বা পানীয় খেয়ে থাকেন। যদিও কিন্তু এর প্রয়োজন নেই। খাবারের সঙ্গে যে লবণ দেহে প্রবেশ করে, তাই যথেষ্ট। পটাসিয়ামের অভাব দূর করতে পুষ্টিকর খাবার খান। বিশেষ করে কলায় প্রচুর পটাশিয়াম আছে। তাই ব্যায়াম করার পর ক্ষুদা লাগলে কলা ও কিছু শুকনো ফল খেয়ে নিন। শরীরের শক্তি ফিরে পাবেন।
* পুষ্টিকর খাবার খান
ব্যায়াম করলে শরীরের প্রচুর ক্যালরি পুড়ে যায়। তাই শরীরে শক্তি যোগানোর জন্য ব্যায়ামের পর দরকার আদর্শ খাবার। ব্যায়ামের পর শরীরের জন্য ক্যালরি, ভিটামিন, প্রোটিনযুক্ত সুষম খাবার দরকার । যারা ডায়েটে শুধু মাত্র সালাদ বা কাঁচা শাক সবজি রাখে তাদের শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালরির চাহিদা পূরণ হয় না। তাই ব্যায়ামের পর শুধু কাঁচা সবজি না খেয়ে সামান্য তেল দিয়ে রান্না সবজি, মুরগির মাংস ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। তা না হলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে।