1. [email protected] : amzad khan : amzad khan
  2. [email protected] : NilKontho : Anis Khan
  3. [email protected] : Nil Kontho : Nil Kontho
  4. [email protected] : Nilkontho : rahul raj
  5. [email protected] : NilKontho-news :
  6. [email protected] : M D samad : M D samad
  7. [email protected] : NilKontho : shamim islam
  8. [email protected] : Nil Kontho : Nil Kontho
  9. [email protected] : user 2024 : user 2024
  10. [email protected] : Hossin vi : Hossin vi
কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের ক্ষতি করবে না ! | Nilkontho
১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | শনিবার | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
হোম জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি জেলার খবর আন্তর্জাতিক আইন ও অপরাধ খেলাধুলা বিনোদন স্বাস্থ্য তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফষ্টাইল জানা অজানা শিক্ষা ইসলাম
শিরোনাম :
ফাঁকা বাজারেও সবজির দাম চড়া রাজধানীর টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ঢল ঈদ উদযাপনে নাগরিকদের যে পরামর্শ দিলো পুলিশ নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে সুপার এইটে এক পা বাংলাদেশের ঝিনাইদহে মিন্টুর মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন ছুটির কবলে দর্শনা রেলবন্দর বাজি’-তে একসঙ্গে দেখা যাবে না তাহসান-মিথিলাকে সুপার এইটের স্বপ্ন শেষ নিউজিল্যান্ডের কোরবানি না করে আকিকা করা যাবে কি? আনার হত্যা: আ.লীগ নেতা মিন্টু ৮ দিনের রিমান্ডে উন্নয়নের গতি থামিয়ে রাখার সুযোগ নেই : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কাঁপছে টেকনাফ সীমান্ত আলমডাঙ্গায় ভুয়া চিকিৎসক ও ফার্মেসী মালিককে জরিমানা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফ কতৃর্ক কৃষক নির্যাতন, পতাকা বৈঠকে দু:খ প্রকাশ ইসরায়েল ও হামাস উভয়েই যুদ্ধাপরাধ করেছে: জাতিসংঘ আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে ফল মেলার উদ্বোধন দর্শনা প্রেসক্লাবে যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি পালিত কুমিল্লায় কোরবানির গরু বহনকারী ট্রাক উল্টে নিহত ২ হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের ক্ষতি করবে না !

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৭
  • ২২ মোট দেখা:

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পক্ষে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ওয়ার্ল্ড ইকনোমকি ফোরামের ৪৭তম বার্ষিক সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর উত্থাপিত একটি ইস্যুর প্রেক্ষাপটে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বিশ্বখ্যাত পরিবেশবাদী আল গোরকে বাংলাদেশ সফরে এসে এই প্রকল্প দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, রামপালে কী ঘটছে তা দেখতে বাংলাদেশ সফরে আসুন এবং নিজেই দেখুন এটি (বিদ্যুৎকেন্দ্র) পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কি না।

শেখ হাসিনা ও আল গোর ছাড়াও এখানে বুধবার সন্ধ্যায় কংগ্রেস হলে ‘লিডিং দ্য ফাইট অ্যাগেইনস্ট ক্লাইমেট চেঞ্জ’ শীর্ষক এই অধিবেশনে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এলনা সোলবাগর্, এইচএসবিসির সিইও স্টুয়ার্ট গাল্লিভার, কফকো এগ্রির সিইও জিংগতাও চি অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনের তীব্র সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, একটি গোষ্ঠী এ নিয়ে অহেতুক ইস্যু সৃষ্টি করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা আসলে কী চায় এবং তাদের উদ্দেশ্যই বা কী সেটা আমি জানি না। হতে পারে তাদের মনে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য আছে।’

তিনি বলেন, এই প্লান্ট কেন এবং কীভাবে পরিবেশের ক্ষতি করবে এ ব্যাপারে রামপাল প্রকল্পবিরোধীরা কোনো যৌক্তিক কারণ তুলে ধরতে পারেননি। এমনকি তারা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের আহ্বানেও সাড়া দেয়নি।

বর্তমান সরকার পরিবেশ রক্ষায় সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যে কোনো বিষয়ে আমার চেয়ে আর কেউ অধিক উদ্বিগ্ন নন। কোন প্রকল্পে কোন রকম ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে তার অনুমতি আমি দেব না।

তিনি বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের আউটার বাউন্ডারির ১৪ কিলোমিটার দূরে এবং ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের ৭০ কিলোমিটার দূরে নির্মিত হবে। এ ছাড়া এটি হবে পরিচ্ছন্ন কয়লাভিত্তিক প্রকল্প। এতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবন এবং এর সংলগ্ন এলাকার পরিবেশ এবং বসতি ও জীব বৈচিত্র্য সুরক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গভীর সমুদ্র থেকে কাভার্ড বার্জে কয়লা আনা হবে। এতে লো সাউন্ড ইঞ্জিন ব্যবহৃত হবে। এর ফলে পরিবেশ দূষণের কোন আশংকা থাকবে না।

দিনাজপুরে বড় পুকুরয়িা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার ২০০০ সালে বড় পুকুরয়িায় একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শুরু করে।

তিনি বলেন, সেখানে দুটি ‘সাব-ক্রিটিক্যাল’ প্লান্ট নির্মাণ করা হলেও বড় পুকুরিয়ার ঘন বসতি ও গাছপালা সমৃদ্ধ এলাকায় কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বরং ওই এলাকা এখন আরও ঊর্বর হয়েছে এবং সেখানে আরো বেশি ধান উৎপাদন হচ্ছে।

দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়ায় বর্তমানে তৃতীয় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘বড় পুকুরিয়া একটি সাব-ক্রিটিক্যাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। সাব-ক্রিটিক্যাল ও আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে বিরাট পার্থক্য রয়েছে। সাব-ক্রিটিক্যাল প্লান্টের তুলনায় সুপার ক্রিটিক্যাল প্লান্ট ৪০ ভাগ কম কার্বন, সালফার ও নাইট্রোজেন নিঃসরণ করে। আল্ট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল প্লান্টের দুষণ শূন্য পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব।

পরিবেশ সুরক্ষায় তার সরকারের ব্যাপক উদ্যোগ এবং এ ব্যাপারে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি যখন ১৯৯৬ সালে প্রথম সরকার গঠন করেন তখন দেশে ৭ শতাংশ বনাঞ্চল ছিল। যা বর্তমানে ১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এবং দেশে ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সমুদ্রে যেভাবে উচ্চতা বাড়ছে এবং দেশে যেভাবে বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হচ্ছে তাতে এই পরিস্থিতি কিভাবে মোকাবিলা করা হবে, প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রের উচ্চতা এক মিটার বৃদ্ধি পেলে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় বৃক্ষরোপণ করে সবুজ বেস্টনি গড়ে তোলা এবং জেগে উঠা নতুন চরে বনসৃজন করাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য চারশ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিজস্ব অর্থায়নে ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করা হয়েছে এবং এই ফান্ড থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির এই সমস্যা বাংলাদেশের মত দেশ সৃষ্টি করেনি। বরং উন্নত দেশসমূহের কার্বন নিঃসরণের ফলে বিশ্ব আজ হুমকির সম্মুখীন এবং সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তাই ধনী এবং উন্নত দেশসমূহের দায়িত্ব হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশসহ দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোকে সাহায্য করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের পাশাপাশি বৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোরও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহকে সহযোগিতা বৃদ্ধির দায়িত্ব রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী নই, কিন্তু আমরা প্রবলভাবে পরিস্থিতির শিকার।

এই পোস্ট শেয়ার করুন:

এই বিভাগের আরো খবর

নামাযের সময়

সেহরির শেষ সময় - ভোর ৩:৪৭
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:৫৭
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫২
  • ১২:০৮
  • ৪:৪৪
  • ৬:৫৭
  • ৮:২৩
  • ৫:১৬

বিগত মাসের খবরগুলি

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০